চাকরির একাধিক পরীক্ষায় বার বার আসা ৭০ টি গুরুত্বপূর্ণ বাক্যসংকোচন।
বাক্য সংকোচন হলো কোনো বাক্য বা বাক্যাংশকে একপদীকরণ বা একশব্দে প্রকাশ করা। বাক্য সংকোচন অর্থ বাক্যকে সংক্ষিপ্ত করা বা ছোট করা। বাক্যকে ছোট করা বা সংক্ষিপ্ত করার অর্থ এই নয় যে একটি দীর্ঘ বাক্যকে ছোট বাক্যে পরিণত করা।
বাক্য সংকোচন এর ক্ষেত্রে বাক্যের অর্থের কোনো পরিবর্ত বা সংকোচন হয় না, বরং অর্থ সম্পূর্ণভাবে রক্ষিত থাকে এবং আরো আকর্ষণীয় হয়ে ওঠে।
![]() |
| Photo: bd elite jobs |
বহু দেখেছে যে -ভূয়োদর্শী ( আট ব্যাংক ২০১৯)
ইতিহাস বিষয়ে অভিজ্ঞ যিনি - ইতিহাসবেত্তা (পূবালী ব্যাংক ১৯)
মকমক হলো - ব্যাঙের ডাক (সিনিয়র অফিসার ১৮)
অকালে যাকে জাগরণ করা হয় - অকালবোধন ( প্রবাসী কল্যান ব্যাংক ১৮)
যে স্বামীর স্ত্রী প্রবাসে থাকে - প্রোষিতপত্নীক (কৃষি ব্যাংক ১৭)
অনুকরণ করার ইচ্ছা - অনুচিকীর্ষা (রাকৃউবি ১৭)
বিশ্বজনের হিতকর - বিশ্বজনীন (প্রবাসী কল্যান -১৭)।
যে নারীর হিংসা নেই - অনসূয়া (বাখরাবাদ গ্যাস ট্রান্সমিশন)।
টঙ্কার - ধনুকের ধ্বনি (উত্তরা ব্যাংক)।
যাকে ভাষায় প্রকাশ করা যায়না -- অনির্বচনীয় (উত্তরা ব্যাংক ১৭)
এক থেকে শুরু করে ক্রমাগত - একাদিক্রমে (পূবালী ব্যাংক ১৩)
যে ভবিষ্যৎ না ভেবেই কাজ করে - অবিমৃষ্যকারী (রাকৃউব ১১)
যা লাফিয়ে চলে - প্লবগ (সোনালী ব্যাংক ১০)
যার কিছু নেই - অকিঞ্চন (রুপালী ব্যাংক ২০১০)
সম্পূর্নরুপে বিবেচনা করা হয় নাই এমন - অসমীক্ষিত (রুপালী ২০১০)
বৃষ্টির জল - শীকর।
সম্পূর্নরুপে বিবেচনা করা হয় নাই এমন - অসমীক্ষিত (রুপালী ২০১০)
বৃষ্টির জল - শীকর।
গোপন করার ইচ্ছা - জুগুপ্সা।
আজীবন সধবা যে নারী - চিরায়ুস্মতী (তিতাস গ্যাস ২০১১)
যা দীপ্তি পাচ্ছে - দেদীপ্যমান (বিবি এডি ২০১০)
দশ চক্রে ভগবান ভূত - দশ জনের চক্রান্তে ন্যায়কে অন্যায় করা (জনতা ২০১১)
বাঘের চামড়া - কৃত্তি (সিটি ব্যাংক ১১)
যে ব্যক্তির দুহাত সমানে চলে - সব্যসাচী
যা বিনা যত্নে উৎপন্ন হিয়েছে - অযত্নসম্ভূত
রাজহাসের ডাক -- ক্রেকার।
দুইয়ের মধ্যে একটি - অন্যতর।
যার বসন আলগা - অসংবৃত।
চক্রের প্রান্তভাগকে বলা হয় - চক্রধারা।
শুভক্ষনে জন্ম যার - ক্ষনজন্মা।
হরিণের চামড়া - অজিন।
যে জমিতে ফসল জন্মায় না - ঊষর।
পাওয়ার ইচ্ছা - ঈপ্সা।
বিশ্বজনের হিতকর - বিশ্বজনীন
যা প্রমান করা যায় না - অপ্রমেয়।
একই সময়ে বর্তমণ - সমসাময়িক।
গাছে উঠতে পটু যে - গেছো।
গম্ভীর ধ্বনি - মন্দ্র।
মুক্তি পেতে ইচ্ছুক- মুমুক্ষু।
সম্মুখে অগ্রসর হয়ে - প্রত্যুদগমন।
রাত্রির শেষভাগ - পররাত্র।
যে ব্যক্তি পূর্বজন্মের কথা স্মরণ করতে পারে - জাতিস্মর।
যে বস্তি থেকে উৎখাত হয়েছে-- উদ্বাস্তু।
ঋষির ন্যায় - ঋষিকল্প।
শোনা যায় এমন -- শ্রুতিগ্রাহ্য।
অবক্ষ জলে নেমে স্নান - অবগাহন।
ভোজন করার ইচ্ছা - বুভুক্ষা।
আপনাকে পন্ডিত মনে করে যে- পন্ডিতন্মন্য।
যে ব্যক্তি এক ঘর থেকে অন্য ঘরে ভিক্ষা করে বেড়ায় - মাধুকরী।
কর দান করে যে - করদ।
যে বহু বিষয় জানে - বহুজ্ঞ।
দ্বারে থাকে যে - দৌবারিক।
কর্ম সম্পাদনে অতিশয় দক্ষ - কর্মঠ।
যে অননরত কাঁদছে - রোরুদ্যমান।
আটপৌরে -যা সব সময় পরার উপযোগী।
জয় সূচনা করে এরুপ তিথি - শুভ তিথি।
যা সাধারনের মধ্যে দেখা যায়না - অনন্যসাধারন।
শত্রুকে পীড়া দেয় যে - পরন্তপ।
ঋতুতে ঋতুতে যজ্ঞ করেন যিনি - ঋত্বিক।
চোখের কোন - অপাঙ্গ।
অলংকারের ধ্বনি - শিঞ্জন।
সৃষ্টি করার ইচ্ছা - সিসৃক্ষা।
খাতা পত্র রাখার ঘর - দপ্তরখানা।
আকাশ ও পৃথিবী - ক্রন্দসী।
আট বছর বয়সী কন্যা - গৌরী।
জেষ্ঠ্যর বর্তমানে কনিষ্ঠের বিয়ে - পরিবেদন।
যে অন্যের লেখা চুরী করে - কুম্ভিলক।
কল্পনার দ্বারা রচিত মূর্তি - ভাবমূর্তি।
যে বিষয়ে কোনো বিতর্ক নেই - অবসংবাদী।
মোটাও নয়, রোগাও নয় - দোহারা।
যে ভরণ পোষন করে - ভর্তা।
বাইরের জগৎ সম্পর্কে যার জ্ঞান নেই - কূপমন্ডূক।
শোক দূর হয়েছে যার - বীত শোক।
চাকরির জন্য বিজ্ঞাপন দাতা প্রতিষ্ঠান আপনার কাছ থেকে কোন অর্থ চাইলে অথবা কোন ধরনের ভুল বা বিভ্রান্তিকর তথ্য দিলে অতিসত্ত্বর আমাদেরকে জানান bdelite81@gmail.com এই মেইলে।
আজীবন সধবা যে নারী - চিরায়ুস্মতী (তিতাস গ্যাস ২০১১)
যা দীপ্তি পাচ্ছে - দেদীপ্যমান (বিবি এডি ২০১০)
দশ চক্রে ভগবান ভূত - দশ জনের চক্রান্তে ন্যায়কে অন্যায় করা (জনতা ২০১১)
বাঘের চামড়া - কৃত্তি (সিটি ব্যাংক ১১)
যে ব্যক্তির দুহাত সমানে চলে - সব্যসাচী
যা বিনা যত্নে উৎপন্ন হিয়েছে - অযত্নসম্ভূত
রাজহাসের ডাক -- ক্রেকার।
দুইয়ের মধ্যে একটি - অন্যতর।
যার বসন আলগা - অসংবৃত।
চক্রের প্রান্তভাগকে বলা হয় - চক্রধারা।
শুভক্ষনে জন্ম যার - ক্ষনজন্মা।
হরিণের চামড়া - অজিন।
যে জমিতে ফসল জন্মায় না - ঊষর।
পাওয়ার ইচ্ছা - ঈপ্সা।
বিশ্বজনের হিতকর - বিশ্বজনীন
যা প্রমান করা যায় না - অপ্রমেয়।
একই সময়ে বর্তমণ - সমসাময়িক।
গাছে উঠতে পটু যে - গেছো।
গম্ভীর ধ্বনি - মন্দ্র।
মুক্তি পেতে ইচ্ছুক- মুমুক্ষু।
সম্মুখে অগ্রসর হয়ে - প্রত্যুদগমন।
রাত্রির শেষভাগ - পররাত্র।
যে ব্যক্তি পূর্বজন্মের কথা স্মরণ করতে পারে - জাতিস্মর।
যে বস্তি থেকে উৎখাত হয়েছে-- উদ্বাস্তু।
ঋষির ন্যায় - ঋষিকল্প।
শোনা যায় এমন -- শ্রুতিগ্রাহ্য।
অবক্ষ জলে নেমে স্নান - অবগাহন।
ভোজন করার ইচ্ছা - বুভুক্ষা।
আপনাকে পন্ডিত মনে করে যে- পন্ডিতন্মন্য।
যে ব্যক্তি এক ঘর থেকে অন্য ঘরে ভিক্ষা করে বেড়ায় - মাধুকরী।
কর দান করে যে - করদ।
যে বহু বিষয় জানে - বহুজ্ঞ।
দ্বারে থাকে যে - দৌবারিক।
কর্ম সম্পাদনে অতিশয় দক্ষ - কর্মঠ।
যে অননরত কাঁদছে - রোরুদ্যমান।
আটপৌরে -যা সব সময় পরার উপযোগী।
জয় সূচনা করে এরুপ তিথি - শুভ তিথি।
যা সাধারনের মধ্যে দেখা যায়না - অনন্যসাধারন।
শত্রুকে পীড়া দেয় যে - পরন্তপ।
ঋতুতে ঋতুতে যজ্ঞ করেন যিনি - ঋত্বিক।
চোখের কোন - অপাঙ্গ।
অলংকারের ধ্বনি - শিঞ্জন।
সৃষ্টি করার ইচ্ছা - সিসৃক্ষা।
খাতা পত্র রাখার ঘর - দপ্তরখানা।
আকাশ ও পৃথিবী - ক্রন্দসী।
আট বছর বয়সী কন্যা - গৌরী।
জেষ্ঠ্যর বর্তমানে কনিষ্ঠের বিয়ে - পরিবেদন।
যে অন্যের লেখা চুরী করে - কুম্ভিলক।
কল্পনার দ্বারা রচিত মূর্তি - ভাবমূর্তি।
যে বিষয়ে কোনো বিতর্ক নেই - অবসংবাদী।
মোটাও নয়, রোগাও নয় - দোহারা।
যে ভরণ পোষন করে - ভর্তা।
বাইরের জগৎ সম্পর্কে যার জ্ঞান নেই - কূপমন্ডূক।
শোক দূর হয়েছে যার - বীত শোক।
চাকরির জন্য বিজ্ঞাপন দাতা প্রতিষ্ঠান আপনার কাছ থেকে কোন অর্থ চাইলে অথবা কোন ধরনের ভুল বা বিভ্রান্তিকর তথ্য দিলে অতিসত্ত্বর আমাদেরকে জানান bdelite81@gmail.com এই মেইলে।

কোন মন্তব্য নেই
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন